ব্রেকিং নিউজ

🔴 ব্রেকিং
🔥দেবীগঞ্জ এনএন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ 🔥নীলফামারী বড় মাঠ থেকে অবৈধ দোকান উচ্ছেদে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাইলেন আবু মোঃ সোয়েম 🔥ডোমারে চলন্ত নীলসাগর এক্সপ্রেস থেকে পড়ে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী গুরুতর আহত, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় উদ্ধার 🔥ডোমারে ২০ পিস স্কাপসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ 🔥নির্মাণাধীন সেতুর বিকল্প সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ 🔥কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় চাকায় পিষ্ট হয়ে নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু 🔥গোসাইগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, জলবায়ু সচেতনতায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 🔥রংপুরে নুজশাত আত্মহত্যা মামলা: মেডিকেল শিক্ষার্থী সাকিনের এক দিনের রিমান্ড 🔥 চিলাহাটিতে গৃহবধূ হত্যা মামলায় শ্বশুর গ্রেপ্তার • 🔥 সর্বশেষ সংবাদ জানতে চোখ রাখুন দৈনিক দ্বীনের আলোতে
🔴 ব্রেকিং
🔥মিঠাপুকুরের ১০ মসজিদে উন্নয়নে ৩০ লাখ টাকার সরকারি বরাদ্দ, স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী 🔥 ডোমারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ • 🔥 চিলাহাটিতে গৃহবধূ হত্যা মামলায় শ্বশুর গ্রেপ্তার • 🔥 সর্বশেষ সংবাদ জানতে চোখ রাখুন দৈনিক দীনের আলোতে

দেবীগঞ্জ এনএন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ

‎বিমল কুমার রায় 
দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি।।
‎পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার নৃপেন্দ্র নারায়ন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) মহাদেব রায়ের বিরুদ্ধে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ইংরেজি প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে।
‎‎পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই একজন শিক্ষার্থীর হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে  দশম শ্রেণির ইংরেজি প্রথম পত্রের প্রশ্নের অংশ পাঠানো হয়েছে বলে  অভিযোগ উঠেছে।
‎বুধবার (১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার পৌর শহরে অবস্থিত দেবীগঞ্জ নৃপেন্দ্র নারায়ন সরকারি উচ্চ বিদালয়ে চলমান অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। এসময় দশম শ্রেণির ইংরেজি প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রের সঙ্গে প্রতিবেদকের হাতে থাকা একটি হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট মিলিয়ে দেখা যায়, স্ক্রিনশটে থাকা প্রশ্নের অংশটির সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল রয়েছে। 
‎প্রতিবেদকের হাতে আসা স্ক্রিনশটে দেখা যায়, "Mahadev Sir"  নামে সংরক্ষিত একটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট থেকে একজন শিক্ষার্থীর কাছে ইংরেজি প্রথম পত্রের ২ নম্বর প্রশ্ন পাঠানো হয়েছে। সেখানে লেখা ছিল-  "Answer the following questions:
‎a. What is Mainul Islam's profession?**
‎b. Why did Mainul Islam choose farming instead of a city job ?
‎c. How do Mainul Islam and his brothers challenge the common belief about educated people's careers ?
‎d. Why does the writer call Mainul Islam and his brothers 'torch bearers' ?
‎e. What message does the passage convey to educated young people?"
‎পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে একই প্রশ্ন হুবহু পাওয়া যায়।
‎বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার দশম শ্রেণির ইংরেজি প্রথম পত্রের প্রশ্ন প্রণয়ন করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) মহাদেব রায়। বিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী যে শিক্ষক যে বিষয়ে ক্লাস নেন তিনি সেই বিষয়ের প্রশ্ন প্রণয়ন করেন এবং তিনিই প্রশ্নপত্র প্রিন্ট করে খামে সিলগালা করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা দেন। পরীক্ষা শুরুর নির্ধারিত সময়ে সেই সিলগালা খাম খুলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। ফলে পরীক্ষা শুরুর আগেই কোনো প্রশ্নপত্র বাইরে চলে গেলে বা ফাঁসের ঘটনা ঘটলে তার দায় সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন প্রণয়নকারী শিক্ষকের ওপর বর্তায় বলে বিদ্যালয় সূত্রের দাবি।
‎অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মহাদেব রায়ের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
‎এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জি এম রুহুল আমিন বলেন, মহাদেব বাবুর প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে আমাদের নজরে এসেছে। আমরা অভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত করবো। তদন্ত স্বাপেক্ষে প্রয়োজনীয় যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার তা করা হবে।
‎দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, আপনাদের মাধ্যমে এই বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা বিদ্যালয় পরিদর্শন করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
‎এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোছা. রোকসানা বেগম বলেন, একজন শিক্ষক যদি প্রশ্ন ফাঁস করে তাহলে মানসম্পন্ন শিক্ষা কীভাবে নিশ্চিত হবে। প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো।
‎উল্লেখ্য, এর আগেও সহকারী শিক্ষক মহাদেব রায়ের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নিজ বাসায় প্রাইভেট পড়তে ও বিশেষ কোচিং ক্লাসে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় নম্বর কম দেওয়া হতো। বিষয়টি সে সময় জাতীয় ও স্থানীয় একাধিক গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

No comments